ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাসুদকে ঠেকাতে ১০ কোটি টাকার মিশন নিয়ে মাঠে বিএনপির অন্য একটি অংশ।

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:১৩:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / 202

আলোকিত ডেস্ক:- নারায়ণগঞ্জের সদর ও বন্দর ৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রাপ্ত মডেল গ্ৰুপের কর্ণধার মাসুদুজ্জামান মাসুদ কে আগামী নির্বাচনে পরাজিত করার জন্য বন্দর বিএনপির একাংশ ১০ কোটি টাকার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় যে, বিএনপির পরিক্ষিত ও ত্যাগী নেতা কর্মীদের মধ্যে এক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মাসুদুজ্জামান মাসুদকে মনোনয়নপত্র দেওয়ায়। তারই ধারাবাহিকতায় ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ জের ধরে মডেল গ্ৰুপের কর্ণধার মাসুদুজ্জামান মাসুদকে ঠেকাতে বিএনপির একটি অংশ বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে মাঠে নেমেছে। তাহলে এখন প্রশ্ন হলো বিএনপির সেই বিদ্রৌগ্ৰুপ কার পক্ষে মাঠে থাকবে? স্থানীয় ও একাধিক সূত্রে জানা গেছে নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাবেক চেয়ারম্যান জিনি ২৯ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়ে আনারস প্রতীকে জয়ী হয়েছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দোয়াত কলম প্রতীকে ১৪ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশিদকে পরাজিত করেছিলেন। তবে এখানেই শেষ নয় ভিতরে ভিতরে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বিএনপির মনোনয়ন প্রাপ্ত মাসুদকে ঠেকাতে।

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে (চিংড়ি মাছ) প্রতীকে ১২ হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে তিনি নিজেকে জাতীয় নির্বাচনে তুরুপের তাস মনে করেন।
প্রসঙ্গত,বন্দর উপজেলায় ৫৪টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে মোট ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৩১ হাজার ৫৬৪ জন। তবে যেখানে বিএনপির মনোনয়ন প্রাপ্ত প্রার্থীকে তাড়া জয়ী করার জন্য মাঠে থাকার কথা সেখানে বিপরীত হচ্ছে কেন? স্থানীয় ভাবে বন্দর একটি প্রবাদ রয়েছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ সদর বন্দর ৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন হচ্ছে রাজাকারের সন্তান আর রাজাকারের সন্তানকে জয়ী করার জন্য দলের আদর্শ ও লক্ষ্য কে উপেক্ষা না করে কালাম, কাউসার, আতাউর রহমান মুকুল, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব টিপু, সাখাওয়াত সহ একাধিক বিএনপির নেতা মাঠে নেমেছে মাসুদুজ্জামান মাসুদকে ঠেকাতে। মাসুদুজ্জামান মাসুদ কি পাড়বে রাহুর কবল থেকে বের হয়ে নির্বাচিত হতে? স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছে গত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে শরীক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা না করে মনগড়া বক্তব্য ও অহমাহিকা দেখানোর কারণে কিন্তু বিএনপির মেয়র প্রার্থীর ভরাডুবি হয়েছে যা তাড়া পরে অনুতপ্ত হয়েছে। কারন সিটি নির্বাচন হোক আর সংসদ নির্বাচন হোক এখানে বিএনপির সাথে যুগপৎ আন্দোলনের শীর্ষ শরীক দলগুলোর ও ভোট ব্যাংক রয়েছে কমবেশি।তাই চুড়ান্ত মনোনয়ন যেই পাক না কেন শরিক দলের সঙ্গে যুগপৎ প্রচারণা মাধ্যমে মাঠে থাকার কোন বিকল্প নাই। বিএনপির প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদকে ঠেকাতে বিএনপির অন্য একটি অংশ মাঠে এবিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে আলাপচারিতায় বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন যেহেতু এটি একটি জাতীয় নির্বাচন বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে আমরা ১৫ বছর ভোট দিতে পারিনি তাই আমাদের নেতা কর্মীদের কড়া নির্দেশনা দেয়া হয়েছে প্রার্থী যেই হোক তার পক্ষে মাঠে থেকে কাজ করতে হবে যদি কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে শোনা যায় বা দেখা যায় বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে অন্য প্রার্থীর সঙ্গে কাজ করে কেউ, তাহলে তাকে প্রাথমিক সদস্যপদ সহ স্থায়ী ভাবে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। আর নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনে মনোনয়ন প্রাপ্ত মডেল মাসুদ কি তার মনগড়া মতো নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে বা এমনি এমনি প্রচারণা চালাচ্ছে? বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান নিজে তাকে মনোনয়ন পত্র দিয়েছে। যদি এখানে মাসুদের বিরুদ্ধে গিয়ে কেউ অবস্থান নেয় সেটাতো তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে গিয়ে অবস্থান নেওয়া। জোটের অন্য শরিকদের বিষয়ে রিজভী বলেন যুগপৎ আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা ছিল একমাত্র ডঃ কর্নেল অলি আহমেদ বীর বিক্রম এলডিপির চেয়ারম্যান। আমরা শুনেছি ইতি মধ্যে তাড়া একক ভাবে ৮৪ টি সিটে মনোনয়ন দিয়েছে এবং আরো প্রায় ৬৫ টি আসনে মনোনয়ন দিবে তবে তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনে তাড়া কাউকে এখনো মনোনয়ন দেয়নি আমার জানা মতে।আমরা আমাদের প্রার্থীকে অবশ্যই বলবো বিএনপির সাথে যারা জোটে আছে তাদের ডেকে সম্মিলিত ভাবে মাঠে থাকার জন্য কারন তাদের তো ভোট ব্যাংক রয়েছে নিজ নিজ এলাকায়। তবে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে প্রচারণা বা ষড়যন্ত্র করলেই আজীবনের জন্য বহিষ্কার সতর্ক বার্তা দেন রিজভী।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করুন

মাসুদকে ঠেকাতে ১০ কোটি টাকার মিশন নিয়ে মাঠে বিএনপির অন্য একটি অংশ।

আপডেট সময় : ০৪:১৩:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

আলোকিত ডেস্ক:- নারায়ণগঞ্জের সদর ও বন্দর ৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রাপ্ত মডেল গ্ৰুপের কর্ণধার মাসুদুজ্জামান মাসুদ কে আগামী নির্বাচনে পরাজিত করার জন্য বন্দর বিএনপির একাংশ ১০ কোটি টাকার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় যে, বিএনপির পরিক্ষিত ও ত্যাগী নেতা কর্মীদের মধ্যে এক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে মাসুদুজ্জামান মাসুদকে মনোনয়নপত্র দেওয়ায়। তারই ধারাবাহিকতায় ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ জের ধরে মডেল গ্ৰুপের কর্ণধার মাসুদুজ্জামান মাসুদকে ঠেকাতে বিএনপির একটি অংশ বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে মাঠে নেমেছে। তাহলে এখন প্রশ্ন হলো বিএনপির সেই বিদ্রৌগ্ৰুপ কার পক্ষে মাঠে থাকবে? স্থানীয় ও একাধিক সূত্রে জানা গেছে নারায়ণগঞ্জ বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাবেক চেয়ারম্যান জিনি ২৯ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়ে আনারস প্রতীকে জয়ী হয়েছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দোয়াত কলম প্রতীকে ১৪ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশিদকে পরাজিত করেছিলেন। তবে এখানেই শেষ নয় ভিতরে ভিতরে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বিএনপির মনোনয়ন প্রাপ্ত মাসুদকে ঠেকাতে।

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে (চিংড়ি মাছ) প্রতীকে ১২ হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে তিনি নিজেকে জাতীয় নির্বাচনে তুরুপের তাস মনে করেন।
প্রসঙ্গত,বন্দর উপজেলায় ৫৪টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে মোট ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৩১ হাজার ৫৬৪ জন। তবে যেখানে বিএনপির মনোনয়ন প্রাপ্ত প্রার্থীকে তাড়া জয়ী করার জন্য মাঠে থাকার কথা সেখানে বিপরীত হচ্ছে কেন? স্থানীয় ভাবে বন্দর একটি প্রবাদ রয়েছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ সদর বন্দর ৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেন হচ্ছে রাজাকারের সন্তান আর রাজাকারের সন্তানকে জয়ী করার জন্য দলের আদর্শ ও লক্ষ্য কে উপেক্ষা না করে কালাম, কাউসার, আতাউর রহমান মুকুল, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব টিপু, সাখাওয়াত সহ একাধিক বিএনপির নেতা মাঠে নেমেছে মাসুদুজ্জামান মাসুদকে ঠেকাতে। মাসুদুজ্জামান মাসুদ কি পাড়বে রাহুর কবল থেকে বের হয়ে নির্বাচিত হতে? স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছে গত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে শরীক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা না করে মনগড়া বক্তব্য ও অহমাহিকা দেখানোর কারণে কিন্তু বিএনপির মেয়র প্রার্থীর ভরাডুবি হয়েছে যা তাড়া পরে অনুতপ্ত হয়েছে। কারন সিটি নির্বাচন হোক আর সংসদ নির্বাচন হোক এখানে বিএনপির সাথে যুগপৎ আন্দোলনের শীর্ষ শরীক দলগুলোর ও ভোট ব্যাংক রয়েছে কমবেশি।তাই চুড়ান্ত মনোনয়ন যেই পাক না কেন শরিক দলের সঙ্গে যুগপৎ প্রচারণা মাধ্যমে মাঠে থাকার কোন বিকল্প নাই। বিএনপির প্রার্থী মাসুদুজ্জামান মাসুদকে ঠেকাতে বিএনপির অন্য একটি অংশ মাঠে এবিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে আলাপচারিতায় বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন যেহেতু এটি একটি জাতীয় নির্বাচন বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে আমরা ১৫ বছর ভোট দিতে পারিনি তাই আমাদের নেতা কর্মীদের কড়া নির্দেশনা দেয়া হয়েছে প্রার্থী যেই হোক তার পক্ষে মাঠে থেকে কাজ করতে হবে যদি কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে শোনা যায় বা দেখা যায় বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে অন্য প্রার্থীর সঙ্গে কাজ করে কেউ, তাহলে তাকে প্রাথমিক সদস্যপদ সহ স্থায়ী ভাবে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। আর নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনে মনোনয়ন প্রাপ্ত মডেল মাসুদ কি তার মনগড়া মতো নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে বা এমনি এমনি প্রচারণা চালাচ্ছে? বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান নিজে তাকে মনোনয়ন পত্র দিয়েছে। যদি এখানে মাসুদের বিরুদ্ধে গিয়ে কেউ অবস্থান নেয় সেটাতো তারেক জিয়ার বিরুদ্ধে গিয়ে অবস্থান নেওয়া। জোটের অন্য শরিকদের বিষয়ে রিজভী বলেন যুগপৎ আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা ছিল একমাত্র ডঃ কর্নেল অলি আহমেদ বীর বিক্রম এলডিপির চেয়ারম্যান। আমরা শুনেছি ইতি মধ্যে তাড়া একক ভাবে ৮৪ টি সিটে মনোনয়ন দিয়েছে এবং আরো প্রায় ৬৫ টি আসনে মনোনয়ন দিবে তবে তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনে তাড়া কাউকে এখনো মনোনয়ন দেয়নি আমার জানা মতে।আমরা আমাদের প্রার্থীকে অবশ্যই বলবো বিএনপির সাথে যারা জোটে আছে তাদের ডেকে সম্মিলিত ভাবে মাঠে থাকার জন্য কারন তাদের তো ভোট ব্যাংক রয়েছে নিজ নিজ এলাকায়। তবে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে প্রচারণা বা ষড়যন্ত্র করলেই আজীবনের জন্য বহিষ্কার সতর্ক বার্তা দেন রিজভী।