ঢাকা ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের প্রতি খোলা চিঠি।

আলোকিত সম্প্রচার ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:১৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / 91

যশোর প্রতিনিধী:- জানি লেখাটা বিএনপির মহাসচিব এবং জনাব তারেক রহমান ওনাদের দৃষ্টি পড়বে কি যানি না। এক বুক আশা নিয়ে তবু ও লিখলাম। আমার বাড়ি যশোর জেলা কেশবপুর থানা। আমি আজ কথা বলতে চাই যশোর ৯০ এর কেশবপুর ৬ আসন নিয়ে। বেয়াদবি মাফ করবেন জনাব ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান একটা বক্তব্য উনি বলছিলেন নমিনেশন সেই ব্যক্তিতেই দেবো যার ওই এলাকায় সবার সাথে ভালোবাসা সম্প্রীতি এলাকায় উন্নয়ন স্বার্থে খোঁজ খবর রাখে। ওই এলাকার সবার সাথে সম্পৃক্ত আছে। কথাগুলো শুনে আমার বুকটা ভরে গেছিল। এখন দেখি উল্টোটা। জনাব আমাদের কেশবপুরে দীর্ঘ ২৭ বছর একটা দল বিএনপি নিজের সন্তানের মতন আপনাদের নির্দেশেই সুসংগঠিত করে রেখেছে। আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ উনি এতটাই ভালো এবং জনপ্রিয়তা ওনার জনপ্রিয়তা ভালোবাসার কারণে আমাদের প্রতিপক্ষ একটা দল ছিল আওয়ামী লীগ আজ সেই আওয়ামী লীগ ও দেখেছি কান্না করতে। একটা ভালো মানুষ এতদিন একটা দলকে আগলে রেখেছিলেন। একটা দলের তো সবার মন রক্ষা করা যায় না। হতে পারে ভুল ত্রুটি মানুষ তো আর ভুলের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। উনি তিনবার পার্লামেন্ট নির্বাচন করেছেন খুব দুঃসময়। হাসিনা ফ্যাসিস আমলে আমাদের কেশবপুরের এমপি ছিল ক্যাডার শাহিন চাকলাদার। তার সাথে ওর লড়াই করেও কিন্তু। দলীয় সব প্রোগ্রাম খুলনা ঢাকা যশোর জনগণ নিয়ে প্রোগ্রাম করে এসেছে। সেই সময় কিন্তু বিএনপির কোন নেতা ছিল না কর্মীদের হাত ধরার মতন। উনি ছিলেন কেশবপুরের বিএনপি’র একটি বটগাছ উনার সাহসের অনুপ্রেরণা হয়ে কর্মীরা রাস্তায় মিছিলে মিটিংয়ে যেতাম । আজ দল তাকে কি পুরস্কার দিলো। ভাবতে চোখে জল আসে যায়। তবুও দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হবে এটাই বাস্তব। আমি দেখেছি যেদিন নমিনেশনের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল মনে হচ্ছিল কেশবপুরের মানুষ নিস্তব্ধ হয়ে গেছে হতবাক নির্বাক চোখে শুধু চেয়েই দেখেছে একটা দলের ভালোবাসার প্রতিদান কি এই হয়। হায়রে ভালবাসা হায়রে দল আমি কোন ব্যক্তিকে ভালোবাসি না আমি দলকে ভালোবাসি। জনাব লেখার অনেক কিছু ছিল। কিন্তু আজ লিখব না। কেশবপুরে কিছু হায়নাদের দল আছে এই বিএনপিকে প্রতিষ্টিত হতে দিতে চায় না। জনাব আমি একজন ক্ষুদ্র নগণ্য বিএনপির কর্মী। যশোর ৯০ কেশবপুর ৬ নিয়ে একটু ভাববেন আমার আবেদন ও আকুতি। আল্লাহ হাফেজ

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করুন

তারেক রহমানের প্রতি খোলা চিঠি।

আপডেট সময় : ১০:১৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

যশোর প্রতিনিধী:- জানি লেখাটা বিএনপির মহাসচিব এবং জনাব তারেক রহমান ওনাদের দৃষ্টি পড়বে কি যানি না। এক বুক আশা নিয়ে তবু ও লিখলাম। আমার বাড়ি যশোর জেলা কেশবপুর থানা। আমি আজ কথা বলতে চাই যশোর ৯০ এর কেশবপুর ৬ আসন নিয়ে। বেয়াদবি মাফ করবেন জনাব ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান একটা বক্তব্য উনি বলছিলেন নমিনেশন সেই ব্যক্তিতেই দেবো যার ওই এলাকায় সবার সাথে ভালোবাসা সম্প্রীতি এলাকায় উন্নয়ন স্বার্থে খোঁজ খবর রাখে। ওই এলাকার সবার সাথে সম্পৃক্ত আছে। কথাগুলো শুনে আমার বুকটা ভরে গেছিল। এখন দেখি উল্টোটা। জনাব আমাদের কেশবপুরে দীর্ঘ ২৭ বছর একটা দল বিএনপি নিজের সন্তানের মতন আপনাদের নির্দেশেই সুসংগঠিত করে রেখেছে। আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ উনি এতটাই ভালো এবং জনপ্রিয়তা ওনার জনপ্রিয়তা ভালোবাসার কারণে আমাদের প্রতিপক্ষ একটা দল ছিল আওয়ামী লীগ আজ সেই আওয়ামী লীগ ও দেখেছি কান্না করতে। একটা ভালো মানুষ এতদিন একটা দলকে আগলে রেখেছিলেন। একটা দলের তো সবার মন রক্ষা করা যায় না। হতে পারে ভুল ত্রুটি মানুষ তো আর ভুলের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। উনি তিনবার পার্লামেন্ট নির্বাচন করেছেন খুব দুঃসময়। হাসিনা ফ্যাসিস আমলে আমাদের কেশবপুরের এমপি ছিল ক্যাডার শাহিন চাকলাদার। তার সাথে ওর লড়াই করেও কিন্তু। দলীয় সব প্রোগ্রাম খুলনা ঢাকা যশোর জনগণ নিয়ে প্রোগ্রাম করে এসেছে। সেই সময় কিন্তু বিএনপির কোন নেতা ছিল না কর্মীদের হাত ধরার মতন। উনি ছিলেন কেশবপুরের বিএনপি’র একটি বটগাছ উনার সাহসের অনুপ্রেরণা হয়ে কর্মীরা রাস্তায় মিছিলে মিটিংয়ে যেতাম । আজ দল তাকে কি পুরস্কার দিলো। ভাবতে চোখে জল আসে যায়। তবুও দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হবে এটাই বাস্তব। আমি দেখেছি যেদিন নমিনেশনের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল মনে হচ্ছিল কেশবপুরের মানুষ নিস্তব্ধ হয়ে গেছে হতবাক নির্বাক চোখে শুধু চেয়েই দেখেছে একটা দলের ভালোবাসার প্রতিদান কি এই হয়। হায়রে ভালবাসা হায়রে দল আমি কোন ব্যক্তিকে ভালোবাসি না আমি দলকে ভালোবাসি। জনাব লেখার অনেক কিছু ছিল। কিন্তু আজ লিখব না। কেশবপুরে কিছু হায়নাদের দল আছে এই বিএনপিকে প্রতিষ্টিত হতে দিতে চায় না। জনাব আমি একজন ক্ষুদ্র নগণ্য বিএনপির কর্মী। যশোর ৯০ কেশবপুর ৬ নিয়ে একটু ভাববেন আমার আবেদন ও আকুতি। আল্লাহ হাফেজ