চিহ্নিত প্রতারক, ও বাটপার মান্নান আর কত অপরাধ করলে প্রসাশনের ঘুম ভাঙবে ভোক্তবোগীরা জানতে চায়
- আপডেট সময় : ০৩:০৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
- / 266
চিহ্নিত প্রতারক, ও বাটপার মান্নান আর কত অপরাধ করলে প্রসাশনের ঘুম ভাঙবে ভোক্তবোগীরা জানতে চায়
নারায়ণগঞ্জ জেলার মানবিক ডিসি খ্যাত জনাব জাহিদুল ইসলাম মিয়ার নাম ভাঙিয়ে প্রতিবন্ধীকে হুইল চেয়ার ও জমি সহ ঘরের ব্যবস্থা করে দিবে বলে লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছে ধর্ষন মামলার সাজাপ্রাপ্ত সহ একাধিক মামলার আসামি বাটপার মান্নান। জৈনিক রূপালী আক্তার বাটপার মান্নানের প্রতারণার শিকার হয়ে আদালতে প্রতারণা মামলা দায়ের করেছে। প্রতারক মান্নানের এই ধরনের প্রতারণা নতুন কিছু নয়, নিজেকে সমাজ কর্মী দাবি করে এমন কোন অপরাধ নেই যে এই বাটপার মান্নান আর তার ছোট ভাই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও ছিনতাইকারী ইমতিয়াজ করেনি। পাঠানটুলী আইল পাড়ার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে এই বাটপার পরিবারের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করেছে প্রসাশনের বিভিন্ন দফতরে একাধিক অভিযোগ ও আদালতে মামলা রয়েছে এর পর ও কি ঘুম ভাঙবে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর? আমাদের প্রতিনিধি টিম গোপন ভাবে তদন্ত করে প্রতারক মান্নানের কুকর্ম তুলে এনেছে।

মান্নান ভূঁইয়া তার এলাকায় একজন চিহ্নিত প্রতারক ও মামলা বাজ হিসেবে পরিচিত তিনি নিজেকে কখনো সাংবাদিক কখনো মানবাধিকার কর্মী পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রতারক মান্নানের বড় তকমা হচ্ছে যখন যে ডিসি ও এসপি নারায়ণগঞ্জ বদলি হয়ে আসে তাদের সাথে সক্ষতা গড়ে তুলে তার পর সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করে নিজেকে প্রসাশনিক কর্মকর্তা দাবি করে বিভিন্ন যায়গায় প্রতারনা করে। বাটপার মান্নান ধর্ষন মামলার ১০ বছরের সাজা প্রাপ্ত সহ একাধিক মামলার আসামি। ধর্ষন মামলায় (৩) তিন বছর জেল খেটে এসে তার পর বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ এর সঙ্গে যুক্ত থেকে মামলা বানিজ্য করে জিবিকা নির্বাহ করে এই প্রতারক মান্নান।

প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে জৈনিক দেলোয়ার হোসেন দেলু একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। জৈনিক রুপালী আক্তার দুটি মামলা দায়ের করেন একটি হচ্ছে প্রতারণা মামলা সেখানে বাটপার মান্নান ও তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার আসামি মামলার ধারা ৪০৬/৪২০/৫০৬ দন্ড বিধি: অন্য আরেকটি মামলা হচ্ছে শ্লীলতাহানি ও হুমকি ধামকি চুরি, জৈনিক মোঃ খোরশেদ আলম পিতা মৃত আঃ রাজ্জাক তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। আরেক ভুক্তভোগী জৈনিক মোঃ শাহজাহান পিতা মৃত আজিজুর রহমান সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন যাহার নং ৫৫০/ ডিএ বাবুল ফতুল্লা থানায় মামলা ১৭৬ দায়ের করলে সেই মামলায় বাটপার মান্নান গ্ৰেফতার হয়ে জামিনে আসে।জৈনিক নুরুল আলম জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ডিবির বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। আরেক ভুক্তভোগী মোছাঃ মলি বেগম স্বামী প্রবাসী হারুন অর রশিদ ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন বাটপার মান্নান ও তার মাদকাসক্ত ভাই ইমতিয়াজ, মোঃ সেলিম পিতা আঃ মালেক।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয় পাঠানটুলী আইল পাড়া এলাকার লোকজনের কাছ থেকে সংগঠনের কথা বলে প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজি করা। মাদকের স্পষ্ট থেকে মাসোহারা না দিলে তার মাদকাসক্ত ভাই ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে ডিসি ও এসপি কে অবগত করা। আবার মাসোহারা দিলে চুপ। তা ছাড়া এলাকার নিরিহ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে তার পর সেই মামলা থেকে নাম প্রত্যাহার করার জন্য মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবি করে। মুলত বাটপার মান্নানের বৈধ কোন আয়ের উৎস না থাকায় মামলা বানিজ্য ও প্রতারণার মাধ্যমে জিবিকা নির্বাহ করে আসছে। এখন প্রশ্ন হলো নারায়ণগঞ্জ জেলায় এতো স্বেচ্ছা সেবি সংগঠন থাকার পর ও ধর্ষন মামলার সাজাপ্রাপ্ত সহ একাধিক মামলার আসামি প্রতারক মান্নানের সংগঠন মানব কল্যাণ পরিষদ কি ভাবে শ্রেষ্ঠ সংগঠন হয়? তাহলে কি যে যতো মামলার আসামি বা যে যতো ডিসি এসপির নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা ও চাঁদাবাজি করবে তার সংগঠন শ্রেষ্ঠ সংগঠন? স্থানীয় জনগণ বলছে আর কত লেখালেখি করলে বা সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার হলে ঘুম ভাঙবে ডিসি এসপির। বিস্তারিত আরো জানতে চোখ রাখুন দৈনিক পত্রিকায়।











