সংগঠনের আড়ালে গড়ে উঠেছে এক ভয়ংকর প্রতারণা, মামলা বানিজ্য, চাঁদাবাজি সহ মাদক ব্যাবসায় জরিত প্রতারক আঃ মান্নান
- আপডেট সময় : ০৩:৫০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
- / 118
সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি:- কথায় বলে কুকুরের লেজ কখনো সোজা হয় না। নারায়ণগঞ্জ জেলা সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পাঠানটুলী, আইল পাড়া এলাকার ঠেলা গাড়ি চালক আঃ হান্নান মিয়ার কুখ্যাত ছেলে ১৩ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে ১০ বছরের সাজা হয়। পরবর্তিতে তিন বছর সাজা খেটে জামিনে বেরিয়ে আসলেও ধর্ষক ও আন্তর্জাতিক প্রতারক মান্নানের অপকর্ম বন্ধ হয়নি। নিজেকে সমাজ কর্মী দাবি করে একের পর এক বেআইনী অপকর্ম করে যাচ্ছে। প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে তার এলাকার আরেক সমাজ সেবক জৈনিক দেলোয়ার হোসেন দেলু প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে ইতি মধ্যে বিভিন্ন থানায় ও আদালতে প্রায় ৩২ টি মামলা রয়েছে।
প্রতারক মান্নানের বৈধ কোন আয়ের উৎস না থাকায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলার ডিসি, এসপি ও বিভিন্ন থানায় গিয়ে পুলিশকে ভুল তথ্য প্রদান করে মামলা বানিজ্য করে। প্রতারক মান্নান নিজেকে ডিসির পিএস ও এসপির পিএস পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ টাকা। এবিষয়ে ডিসি ও এসপি অফিসে প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রসাশনিক দপ্তর গুলোতে প্রতারক মান্নান নারী সাপ্লাই দিয়ে প্রসাশনের কর্তাদের মন জয় করে রেখেছে বলেই শত অভিযোগ আর মামলা থাকার পর ও প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না ডিসি এসপি। তাহলে জনমনে প্রশ্ন ডিসি ও এসপি অফিস কি তাহলে অপরাধীদের অভয় আশ্রম?
নাকি স্থানীয় জনতা যে বলেছে নারী সাপ্লাই দিয়ে প্রসাশনের কর্তাদের মুখ বন্ধ করে রেখেছে সেটাই সত্য। এবিষয়ে নিউজ তৈরি করা কালিন সময়ে ডিসি ও এসপি কে ফোন করে বিস্তারিত জানতে চেয়ে ফোন করলে তাড়া কেউই ফোন রিসিভ করেননি। তাহলে কি মানবিক ডিসি ও পুলিশ সুপারের চাকরি জীবনে কলংক সত্যি? একজন সাজাপ্রাপ্ত সহ একাধিক মামলার আসামি প্রতারক মান্নান ভূঁইয়ার অবৈধ কর্মকান্ডে সংক্ষিত স্থানীয় জনগণ। তার মিথ্যা মামলা ও মিথ্যা ফেসবুক আইডি দিয়ে হয়রানি চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে একাধিক বার ঝাড়ু মিছিল করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ বাসী।
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোষর ধর্ষন মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি প্রতারক মান্নান যখন যে দল ক্ষমতায় যায় তাদের আশির্বাদ নিয়ে প্রতারণা করে থাকে বলে জানা গেছে। কারন হিসেবে ও জানা যায় তার তথাকথিত সংগঠনের মাধ্যমে যুবতী নারীদের ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে সুবিধা নেওয়ার কথা। এখন প্রশ্ন হলো আর কত অপরাধ করলে বা আর কত মামলা হলে প্রসাশন ব্যবস্থা নিবে প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে? সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সানমুন পিতা সেন্টু মিয়া তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি পুকুর দখল করে রেখেছে বাটপার মান্নান। ভোক্তবোগীরা প্রতিবাদ করলেই ডিসি এসপি কে দিয়ে মামলার ভয় দেখায়।
এমন কোন অপরাধ নেই যে প্রতারক মান্নান তার সঙ্গে যুক্ত নয়। নিজের আপন ভাই ইমতিয়াজ মাদকের বড় ডিলার, একসময় মাদক বিক্রি ও নারীদের উক্ত্যক্ত করার অপরাধে ডাঃ আঃ রাজ্জাক প্রতারক মান্নান ও তার ভাই ইমতিয়াজ কে বিদ্যুতের খুঁটির মধ্যে বেঁধে লেংটা করে পিটিয়েছে বলে তার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জানান। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রসাশনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যদি প্রতারক মান্নানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে একবার ঝাড়ু মিছিল করেছি এবার ডিসি ও এসপি অফিস ঘেরাও করবো।
একজন চিহ্নিত প্রতারকের খপ্পরে পড়ে শত শত লোক পথের ফকির আর প্রসাশন বৃদ্ধাঙ্গুল দেখাচ্ছে জনগনকে। আইল পাড়া সমাজ কর্মী ও পাঠানটুলীর বিএনপির নেতা বাবুল বলেন এই এলাকার সাধারণ মানুষের জিবন তেজপাতা করে ফেলেছে এই প্রতারক মান্নান। তিনি বলেন আমার কাছে ও চাঁদা চেয়েছে বাটপার মান্নান আমি আদালতে ও থানায় মামলা দায়ের করেছি। যদি এই প্রতারক মান্নান ও তার মাদকাসক্ত ভাই ইমতিয়াজ এর বিরুদ্ধে প্রসাশন ব্যবস্থা না নেয় তাহলে স্থানীয় আমজনতা প্রতিবাদ গড়ে তুলবে এবং সেখানে যদি কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে তাহলে প্রসাশন কে তার দায়ভার নিতে হবে। কারন প্রসাশনের ছত্র ছায়ায় বাটপার মান্নান এই অপকর্ম করে যাচ্ছে।











