তারেক রহমানের আদেশ অমান্য করেই চলছে আওয়ামী দোসরদের পূর্ণবাসন নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের বিতর্কিত মোস্তাক বিএনপির প্রার্থী
- আপডেট সময় : ১০:৩৬:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
- / 93
আলোকিত ডেস্ক:- শতাধিক শিশু,ছাত্রী নির্যাতনকারী,ধর্ষক,নারীলিপ্সু,লম্পট, খন্দকার মুশতাক আহমেদকে নিয়ে নরসিংদী শিবপুরে রাজনৈতিক বিতর্ক, আওয়ামী লীগ না বিএনপি—জনমনে প্রশ্ন
রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি জাতীয় পার্টির রাজনীতি করে একদলীয় ও ভোটারবিহীন নির্বাচনে কমিশনার নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে দূর্নীতি,লুটপাট,প্রতারণা,ঠকবাজিসহ বিভিন্ন কু-কর্ম করে ঢাকায় বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক হলেও ব্যক্তিগত নানা কারণে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন।
তবে সম্প্রতি ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর একটি চক্র মোস্তাককে আবার বিএনপির নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গুঞ্জন রয়েছে, বিএনপির কিছু নামধারী নেতা মোটা অংকের টাকা গ্রহণ করে তাকে মঞ্চে তুলছেন। এরই মধ্যে তাকে শিবপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে।
অন্যদিকে তাকে দেখা গেছে আওয়ামী লীগের বিতর্কিত মন্ত্রীপুত্র সাদিক, সালমান এফ রহমানের ছেলের সঙ্গেও। এতে শিবপুরে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তারা অভিযোগ করছেন—স্থানীয় কিছু নেতা তারেক রহমানের নির্দেশ অমান্য করে আওয়ামী লীগের দোসরদের সঙ্গে হাত মিলাচ্ছেন। সবাইকে মনে রাখতে হবে, খোলস পাল্টালেও সাপ কিন্তু সাপই থাকে।
শিবপুরে এখন জনমনে বড় প্রশ্ন—খন্দকার মোস্তাক আসলে কোন দলে ? আওয়ামী লীগ, না বিএনপি ? প্রকৃতপক্ষে, ফ্যাসিবাদের দোসর, শতাধিক শিশু, নির্যাতনকারী,ধর্ষক,নারীলিপ্সু,লম্পট, খন্দকার মুশতাক আহমেদ বিএনপির ছদ্মবেশে নরসিংদীসহ ঢাকায় আওয়ামীলীগকে পূনর্বাসন করছে । সমগ্র নরসিংদীবাসীর ধারণা, মুশতাক কান্ডে নরসিংদীর ৫টি আসনই বিএনপির হাতছাড়া হতে পারে।
ঢাকাস্থ মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষের যোগসাজোশে পরিবারের সদস্য,আত্মীয়স্বজন, বন্ধু বান্ধবসহ সকলকে কোনরকম ডোনেশন ছাড়াই বা দান না করেই ভূয়া ভোটার বানিয়ে ভূয়া দাতা ভোটার কর্তৃক নির্বাচিত সাবেক ভূয়া দাতা সদস্য, টিএন্ডটি অফিসের কেরানীর কু-পুত্র, ভিন্নদেশীয় গোয়েন্দা সংস্থার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে একাধিকবার গোপনে বৈঠক করেছেন যা আমেরিকান প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন তার ইউটিউব চ্যানেলে উল্লেখ করেছেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতা হত্যার একাধিক মামলার এজাহারভূক্ত আসামি, অশিক্ষিত,গণ্ডমূর্খ, কুখ্যাত খন্দকার মুশতাক আহমেদসহ ফ্যাসিবাদের দোসরদের যেখানেই পাবেন তাদেরকে ধরে নিকটস্থ থানায় সোপর্দ করুন। কুখ্যাত খন্দকার মুশতাক আহমেদ চোরাগলি দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করছে। কুখ্যাত খন্দকার মুশতাক আহমদের পুরো পরিবারের প্রায় সকল সদস্যই আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর এবং পরিবারের অধিকাংশ সদস্যই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত আসামি । তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যই জুলাই অভ্যূত্থানের পরে পলাতক। ভূয়া ভোটারের মাধ্যমে নির্বাচিত ভূয়া দাতা সদস্য কুখ্যাত খন্দকার মুশতাক আহমেদ এর হাতে নিষ্ঠুর নির্মম বলি হয়েছে আইডিয়ালের অনেক ছাত্রী। নির্মম নিষ্ঠুর প্রতারণার শিকার হয়ে সর্বস্ব হারিয়েছে আইডিয়ালের বহু শিক্ষক। ভর্তি বানিজ্যের নামে নির্মম,নিষ্ঠুর প্রতারণার শিকার হয়ে সর্বস্ব হারিয়েছে বহু অভিভাবক।
খন্দকার মুশতাক আহমেদ তার গ্রামের বাড়ী নরসিংদীর শিবপুরে উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতির খাতায় নাম লেখালেও ঢাকায় করতো আওয়ামীলীগ। তার গ্রামের বাড়ীটি ছিল উপজেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু আর ঢাকায় নিজে ছিল আওয়মীলীগের কিলিং মিশনসহ সকল অপকমের সফল বাস্তবায়নকারী । সাবের হোসেন চৌধুরীর পাশে মুজিব কোট পরিহিত কুখ্যাত খন্দকার মুশতাক আহমদেকে দেখে মনে হয় তিনি ঢাকা-৯ আসনের এমপি আর সাবের হোসেন চৌধুরী তার কমী। এভাবেই তারেক রহমানের আদেশ অমান্য করে চলছে ফ্যাসিবাদের অবকাঠামো।












