ওসির দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
- আপডেট সময় : ০৫:৫৪:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
- / 174
প্রতিবাদ লিপি
ওসির দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
প্রেরক:
বাংলাদেশ জার্নালিস্ট ইউনিটি (Bangladesh Journalist Unity)
কেন্দ্রীয় কমিটি
তারিখ: ১৬ নভেম্বর, ২০২৫ (অনুমানকৃত)
বিষয়: কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থানার ওসির বিরুদ্ধে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় হয়রানি ও পাঁচ মাস যাবৎ কারাগারে আটকে রাখার তীব্র নিন্দা এবং সাংবাদিকের মুক্তি ও ওসির শাস্তির দাবি।
আমরা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সাথে জানাচ্ছি যে, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন ওখানকার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল হেলাল মাহমুদ-এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ‘গ্রেফতার-বাণিজ্যের’ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাঁকে ধারাবাহিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।
সংবাদসূত্রে আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে, সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনকে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যের ভিত্তিতে ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগে কর্মী’ হিসেবে চিহ্নিত করে গত কয়েক বছরে তাঁর বিরুদ্ধে কমপক্ষে পাঁচটি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলাগুলোর জেরে বর্তমানে তিনি প্রায় পাঁচ মাস ধরে কুড়িগ্রাম কারাগারে বন্দী আছেন।
বাংলাদেশ জার্নালিস্ট ইউনিটি মনে করে, এটি কেবল একজন সাংবাদিকের ব্যক্তিগত হয়রানি নয়, এটি সত্য প্রকাশে আপোষহীন গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর পুলিশের মতো একটি দায়িত্বশীল বাহিনীর নগ্ন হস্তক্ষেপ। ওসির ক্ষমতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে টার্গেট করা হয়েছে। এমন ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জাজনক। এটি সাধারণ মানুষের মধ্যেও পুলিশি হয়রানি নিয়ে গভীর আশঙ্কা সৃষ্টি করছে।
আমাদের দাবি:
গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে বাংলাদেশ জার্নালিস্ট ইউনিটির পক্ষ থেকে আমরা অবিলম্বে সরকারের প্রতি নিম্নলিখিত দাবিগুলো বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি:
১. সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনের নিঃশর্ত মুক্তি: অবিলম্বে সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং তাঁকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
২. বিভাগীয় তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা: যে ওসির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, সেই ওসি মো. আল হেলাল মাহমুদ-এর বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে কঠোর আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. নির্যাতন প্রতিরোধ সেলে অভিযোগ: সাংবাদিক হয়রানি প্রতিরোধ সেলে প্রেরিত অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে সাংবাদিকতার সুরক্ষার নজির স্থাপন করবেন।














