ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সদর থানায় ঢুকে পুলিশকে হুমকি

আলোকিত সম্প্রচার ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 76

 

জাকির খানের অনুসারি এডভান্স রনি গং

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি,২৪ নভেম্বর ২০২৫

 

নারায়ণগঞ্জ শহরের ১নং রেলগেট এলাকায় সবুজ (৩৭) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আসামিদের গ্রেফতারের পর তাদের অনুসারীদের একাংশ থানায় ঢুকে পুলিশকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার বিকেলে সদর মডেল থানা পুলিশ হত্যাকাণ্ডের এজাহারভুক্ত দুই আসামি মাসুম ওরফে সিআইডি মাসুম (৪১) এবং রাজু (৩৫ কে গ্রেফতার করে। পরে রবিবার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। গ্রেফতারকৃত মাসুম গোপচর জান্নাত নগর এলাকার মৃত বাবুল মিয়ার ছেলে এবং রাজু ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা সবুজবাগ এলাকার ইমান আলীর ছেলে। হত্যা মামলায় মাসুমকে আটক করার খবর ছড়িয়ে পড়লে এজাহারভুক্ত আসামিদের অনুসারীসহ অর্ধশতাধিক লোকজন থানায় প্রবেশ করে। তারা পুলিশ হেফাজত থেকে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায় এবং পুলিশ সদস্যদের ধাক্কাধাক্কা, গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ পুলিশ সূত্রের। এই ঘটনায় সদর মডেল থানার এসআই মোঃ রমজান হোসেন বাদী হয়ে রবিবার ৫৭ জনকে আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। আসামিদের মধ্যে জাকির খানের অনুসারি রনি ওরফে এডভান্স রনি (৪৭), আলআমিন (৪০), শাহিন (৪৫), মশিউর রহমান মশু (৪৫), টাক্কু রাজু (৩২), এজাজ উদ্দিন আহম্মেদ (৪২), সাব্বির আহম্মেদ (২৫) এবং অজ্ঞাত আরও ৫০ জন। এরা সহরের বিভিন্ন প্রান্তে ত্রাশ ছিটিয়ে রাজত্ব কায়েম করে আসছে। ছিনতাই,চুরি,মাদক ও দেহ ব্যবসা সহ নানা ধরনের অপরাধের সাথে জরিত বলে জানা যায়। এরা প্রতিরাতে সুরমা টাওয়ারের ২য় তলায় একত্রিত হয় এবং শহরে যত চুরি,ছিনতাই হয় তার ভাগ বাটোয়ারা করেন বলে সুত্রে জানা যায়। হত্যার আসামিদের গ্রেফতার করার উদ্দেশ্য নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি নাছির আহম্মেদ জানান,“হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তিনি আরও বলেন, কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি থানায় প্রবেশ করে আমাদের অফিসারদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছে। এ বিষয়ে মামলা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে। তবে সাধারণ জনগণ জানান পুলিশ এদের কখনোই ধরতে পারবে না , টাকা বিনিময় কিছুদিন পর আবার যা ছিলো তাই হবে। এডভান্স রনি জাকির খানের অনুসারি আর পুলিশ এইসব নেতাদের ভয় পাই। সংবাদ প্রচার করতেও কেও সাহস পাইনা, আমাদের মতো সাধারণ জনগণ শুধু বলির শিকার হয়। আমাদের সবার দাবি এদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক এবং এদের শাস্তি দেওয়া হোক।

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করুন

সদর থানায় ঢুকে পুলিশকে হুমকি

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

 

জাকির খানের অনুসারি এডভান্স রনি গং

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি,২৪ নভেম্বর ২০২৫

 

নারায়ণগঞ্জ শহরের ১নং রেলগেট এলাকায় সবুজ (৩৭) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় আসামিদের গ্রেফতারের পর তাদের অনুসারীদের একাংশ থানায় ঢুকে পুলিশকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার বিকেলে সদর মডেল থানা পুলিশ হত্যাকাণ্ডের এজাহারভুক্ত দুই আসামি মাসুম ওরফে সিআইডি মাসুম (৪১) এবং রাজু (৩৫ কে গ্রেফতার করে। পরে রবিবার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। গ্রেফতারকৃত মাসুম গোপচর জান্নাত নগর এলাকার মৃত বাবুল মিয়ার ছেলে এবং রাজু ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা সবুজবাগ এলাকার ইমান আলীর ছেলে। হত্যা মামলায় মাসুমকে আটক করার খবর ছড়িয়ে পড়লে এজাহারভুক্ত আসামিদের অনুসারীসহ অর্ধশতাধিক লোকজন থানায় প্রবেশ করে। তারা পুলিশ হেফাজত থেকে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায় এবং পুলিশ সদস্যদের ধাক্কাধাক্কা, গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ পুলিশ সূত্রের। এই ঘটনায় সদর মডেল থানার এসআই মোঃ রমজান হোসেন বাদী হয়ে রবিবার ৫৭ জনকে আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। আসামিদের মধ্যে জাকির খানের অনুসারি রনি ওরফে এডভান্স রনি (৪৭), আলআমিন (৪০), শাহিন (৪৫), মশিউর রহমান মশু (৪৫), টাক্কু রাজু (৩২), এজাজ উদ্দিন আহম্মেদ (৪২), সাব্বির আহম্মেদ (২৫) এবং অজ্ঞাত আরও ৫০ জন। এরা সহরের বিভিন্ন প্রান্তে ত্রাশ ছিটিয়ে রাজত্ব কায়েম করে আসছে। ছিনতাই,চুরি,মাদক ও দেহ ব্যবসা সহ নানা ধরনের অপরাধের সাথে জরিত বলে জানা যায়। এরা প্রতিরাতে সুরমা টাওয়ারের ২য় তলায় একত্রিত হয় এবং শহরে যত চুরি,ছিনতাই হয় তার ভাগ বাটোয়ারা করেন বলে সুত্রে জানা যায়। হত্যার আসামিদের গ্রেফতার করার উদ্দেশ্য নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি নাছির আহম্মেদ জানান,“হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তিনি আরও বলেন, কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি থানায় প্রবেশ করে আমাদের অফিসারদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছে। এ বিষয়ে মামলা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে। তবে সাধারণ জনগণ জানান পুলিশ এদের কখনোই ধরতে পারবে না , টাকা বিনিময় কিছুদিন পর আবার যা ছিলো তাই হবে। এডভান্স রনি জাকির খানের অনুসারি আর পুলিশ এইসব নেতাদের ভয় পাই। সংবাদ প্রচার করতেও কেও সাহস পাইনা, আমাদের মতো সাধারণ জনগণ শুধু বলির শিকার হয়। আমাদের সবার দাবি এদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক এবং এদের শাস্তি দেওয়া হোক।